ব্যাকটেরিয়া কে আবিষ্কার করেন | Bacteria Abiskar koren k

4.9/5 - (32 votes)

Who discovered bacteria? অর্থ্যাৎ Bacteria Abiskar koren k: প্রিয় ভিউয়ার, ব্যাকটেরিয়া কে আবিষ্কার করেন? এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির উত্তর জানতে অনেকেই আগ্রহী । আপনারা অনেকে অনলাইনে খুজে থাকেন কিন্তু “ব্যাকটেরিয়ার আবিষ্কারক কে” প্রশ্নটির সঠিক উত্তর খুজে পান না ৷ সঠিক উত্তরটি জানতে প্রিয়বিডির সাথেই থাকুন ৷ ধন্যবাদ ৷

[M.C.Q] ব্যাকটেরিয়া কে আবিষ্কার করেন | Bacteria Abiskar koren k

Question: Who discovered bacteria?

A.লিউয়েন হুক
B.রবার্ট হুক
C.এডয়ার্ড জেনার 
D.রবার্ট কক

উত্তরঃ A. লিউয়েন হুক

ব্যাকটেরিয়া কে আবিষ্কার করেন | Bacteria Abiskar koren k

ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ৷ তাকে ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কারের জনক বলা হয় ৷ Bacteria were discovered by Anthony von Leuven Hooke. আশা করি আপনাদের প্রশ্ন “ব্যাকটেরিয়া কে আবিষ্কার করেন” এর উত্তর পেয়েছেন ৷

ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু এককোষী উদ্ভিদ । এর কোষের মধ্যে থাকে প্রোটোপ্লাজম । এরাই পৃথিবীর সবচেয়ে পুরানো বাসিন্দা । এদের দেহে ক্লোরোফিল (Cholrophyll) নেই । তাই এরা খাদ্য তৈরি করতে পারে না । এদের পচা গলা খাদ্যের ওপর নির্ভর করতে হয় । এ ক্ষেত্রে এদের বলা হয় মৃতজীবী (Sporophyet) ।

এরা যেহেতু অন্য গাছ বা প্রাণীর দেহ থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে, তাই এদের বলা হয় পরজীবী (Parasite) I

জীবাণুদের আকার তিন রকমের ছোট বলের মতো ( Coceus ), বাঁকানো বা পেঁচানো (Spirillum) এবং লম্বা লাঠির মতো (Bacillus) । যে সব জীবাণু গতিসম্পন্ন তাদের মাথায় এক বা একাধিক সরু চুলের মতো জিনিস থাকে যার নাম ফ্ল্যাজেলা (Flagella)

  • অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান ৷ তাকে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কারক বলা হয় ৷
  • ফুসফুসে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ কে বলা হয় নিউমোনিয়া ৷ এই রোগে ফুসফুসে প্রদাহ সৃষ্টি করে এবং ফুসফুসের বায়ু থলি পুঁজ এবং তরলে ভর্তি হয়ে ফুলে যায় ৷
  • ধানের ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ হলো পাতাপোড়া ৷ বাংলাদেশে ধানের মোট ৩২ রোগের মধ্যে ৩টি রোগই ব্যাকটেরিয়া জনিত ৷ এদের মধ্যে অন্যতম হলো পাতাপোড়া অর্থ্যাৎ পাতা লালচে হওয়া রোগ ৷
  • ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ গুলো হলো যক্ষা টাইফয়েড, প্যারাটাইপয়েড, মেনিন জাইটিস, অ্যানথ্রাক্স, ধনুষ্টংকার কুষ্ঠ (লেপ্রোসী), ডিপথেরিয়া, বটুলিজম, প্লেগ, হুপিংকাশি, সিফিলিস, গনোরিয়া, কলেরা, রক্ত আমাশয়, ফোড় ইত্যাদি ৷
  • পলিস্যাকারাইড, লিপিড ও প্রোটিন দিয়ে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর গঠিত ৷
  • ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য দায়ী ফ্ল্যাজেলা(Flagella) ৷ ফ্ল্যাজেলা ব্যাকটেরিয়ার গতি বা চলাচলে সাহায্য করে।
  • e.coli ব্যাকটেরিয়াতে জিনের সংখ্যা কত?
  • লিউয়েন হুক হলেন ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কারের জনক ৷
  • ব্যাকটেরিয়া সাধারণত তিন ভাবে বংশ বৃদ্ধি করতে পারে , যেমন— অঙ্গজ জনন , অযৌন জনন এবং যৌন জনন ৷ ব্যাকটেরিয়ার প্রধান জনন পদ্ধতি হলো দ্বি-ভাজন পদ্ধতি। এটি একটি অযৌন পদ্ধতি।
  • ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন আকৃতির রয়েছে ৷ যেমনঃ গোলাকার, দন্ডাকার, সর্পিলাকার ৷ কমা আকৃতির ব্যাকটেরিয়া হলো ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া
  • মানুষের অন্ত্রে Escherichia coli (এসকেরিকা কলি) ব্যাকটেরিয়া বাস করে ৷ E.coli মানুষের অন্ত্রে বসবাসকারী সবচেয়ে পরিচিত ব্যাকটেরিয়া
  • সবচেয়ে ছোট ব্যাকটেরিয়া হলো Mycoplasma. এদের আকার দৈর্ঘ্যে মাত্র ০.৩ মাইক্রোমিটার ৷ এই Mycoplasma golisepticum- নামক ব্যাকটেরিয়ার কোষকে সবচেয়ে ছোট কোষ বলা হয় ৷
  • ব্যাকটেরিয়া কি?

    উত্তর: ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত,ক্লোরোফিলবিহীন, এককোষী অণুজীব।

  • ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ কি কি?

    উত্তরঃ ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগগুলো হলো ধনুষ্টংকার কুষ্ঠ (লেপ্রোসী), ডিপথেরিয়া, বটুলিজম, টাইফয়েড, প্যারাটাইপয়েড, মেনিন জাইটিস, অ্যানথ্রাক্স, প্লেগ, হুপিংকাশি, সিফিলিস, গনোরিয়া, কলেরা, রক্ত আমাশয়, ফোড় ইত্যাদি ৷

  • ব্যাকটেরিয়া কত প্রকার?

    উত্তরঃ কোষের আকৃতি অনুসারে ব্যাকটেরিয়াকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
    কক্কাস, ব্যাসিলাস, স্পাইরিলাম, কমা ৷