পদার্থ বিজ্ঞানের জনক কে | Who is the father of physics?

5/5 - (17 votes)

Who is the father of physics? | প্রিয় ভিউয়ার, পদার্থ বিজ্ঞানের জনক কে? এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটির উত্তর জানতে অনেকেই আগ্রহী । আপনারা অনেকে অনলাইনে খুজে থাকেন কিন্তু “পদার্থ বিজ্ঞানের জনক বলা হয় কাকে” প্রশ্নটির সঠিক উত্তর খুজে পান না ৷ সঠিক উত্তরটি জানতে প্রিয়বিডির সাথেই থাকুন ৷ ধন্যবাদ ৷

Who is the father of physics

[MCQ] প্রশ্নঃ পদার্থ বিজ্ঞানের জনক কে | Who is the father of physics?

  • হেরোডোটাস
  • আর্কিমিডিস
  • আইজ্যাক নিউটন
  • ইউক্লিড

উত্তরঃ আইজ্যাক নিউটন ৷

পদার্থ কাকে বলে?

যার ভর ( mass ) আছে ও আয়তন ( volume ) আছে তাকে পদার্থ ( matters ) বলে । কোন বস্তুর ভিতরে পদার্থের পরিমাণ হলো তার ভর এবং ঐ বস্তু যে ত্রিমাত্রিক স্থান দখল করে তা হলো তার আয়তন । পদার্থকে ভাঙলে অণু , পরমাণু , ইলেকট্রন , প্রোটন , নিউট্রন ইত্যাদি পাওয়া যায় । সৃষ্টিতত্ত্ব বা আপেক্ষিকতাবাদ অনুসারে পদার্থ হচ্ছে শক্তির রূপান্তরিত রূপ । কঠিন , তরল , বায়বীয় ও প্লাজমা এ চারটি রূপে পদার্থ পাওয়া যায় । অন্যভাবে , পদার্থকে মৌলিক পদার্থ , যৌগিক পদার্থ ও মিশ্র পদার্থ এভাবেও ভাগ করা হয় । যে পদার্থকে ভাঙলে ঐ পদার্থ ছাড়া আর কোন পদার্থ পাওয়া যায় না , তাকে মৌলিক পদার্থ ( elements ) বলে । মৌলিক পদার্থগুলো ধাতু ( metals ) ও অধাতু ( non – metals ) এ দু’ভাগে বিভক্ত । দুই বা ততোধিক মৌলিক পদার্থ রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে যৌগিক পদার্থ ( compounds ) গঠন করে । মিশ্র পদার্থে ( mixture ) রাসায়নিক সংযুক্তি ছাড়া একাধিক মৌলিক পদার্থ পাশাপাশি অবস্থান করে । Isaac Newton is the father of physics.

শক্তি কাকে বলে?

যার কাজ করার সামর্থ্য আছে , তাকে শক্তি ( energy ) বলে । শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ নেই । একে শক্তির নিত্যতা সূত্র বলে । শক্তি রূপান্তরযোগ্য । কোন জিনিসের শক্তি তার ভর ( mass ) দ্বারা চিহ্নিত হয় । পদার্থ ও শক্তি পরস্পর রূপান্তরযোগ্য । শক্তির স্থানান্তর বলতে প্রকৃতপক্ষে পদার্থের স্থানান্তরকেই বুঝায় । বল প্রয়োগে বস্তুর স্থান পরিবর্তন হলে কাজ হয় । কোন বস্তু যে পরিমাণ কাজ করতে সক্ষম তা দ্বারা তার শক্তি পরিমাপ করা যায় । ভৌত ব্যবস্থায় ( physical system ) শক্তি দু প্রকারের স্থিতিশক্তি ও গতিশক্তি । স্থিতিশীল বস্তু তার স্থিতির জন্য কাজ করার যে সামর্থ্য অর্জন করে তা তার স্থিতিশক্তি । আর গতিশীল বস্তুর গতিশীলতার মাধ্যমে অর্জিত কাজ করার সামর্থ্যকে বলে গতিশক্তি । তাপ , আলোক , বিদ্যুৎ তড়িচ্চুম্বকীয় বিকিরণ ইত্যাদি শক্তির উদাহরণ । সূর্য পৃথিবীর সকল শক্তির উৎস ।

পদার্থের ভৌত বৈশিষ্ট্য (Physical quantity) বা রাশি

ভৌত জগতে যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলে । কোন বস্তুর দৈর্ঘ্য , ভর , ঘনত্ব , আয়তন ইত্যাদি পরিমাপ করা যায় । A physical quantity is a physical property of a phenomenon , body or substance that can be quantified by measurements . সূত্র : Wikipedia . পদার্থবিজ্ঞানে রাশি দুই প্রকারের । স্কেলার রাশি ও ভেক্টর রাশি ।

স্কেলার রাশি : যে সকল ভৌত রাশিকে শুধু মান ( magnitude ) দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায় , দিক ( direction ) নির্দেশের প্রয়োজন হয় না , তাদের স্কেলার রাশি বলে । দ্রুতি , কাজ , ক্ষমতা , শক্তি , ভর , ঘনত্ব , আয়তন , তাপ , সময় , কম্পাঙ্ক , তরঙ্গদৈর্ঘ্য , বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা , রোধ , গলনাঙ্ক , স্ফুটনাঙ্ক ইত্যাদি স্কেলার রাশি ।

ভেক্টর রাশি : যে সকল ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ( magnitude ) ও দিক ( direction ) উভয়ই প্রয়োজন হয় , তাদের ভেক্টর রাশি বলে । বেগ , ভরবেগ , সরণ , ত্বরণ , ওজন , অভিকর্ষজ ত্বরণ , চৌম্বক প্রাবল্য ইত্যাদি ভেক্টর রাশি ।

বীজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার জনকঃ

  • তরল পদার্থ পরিমাপের একক কি?

    উত্তরঃ তরল পদার্থ পরিমাপের একক লিটার ৷

  • আলোর বেগ সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন কে ?

    উত্তরঃ আলোর বেগ সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন রোমার

  • পড়ন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেন কে ?

    উত্তরঃ পড়ন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেন গ্যালিলিও ৷